Skip to content
বাংলা টেক ভিউ
Menu
  • Home
  • Online Income
    • Blogging
    • Youtube
    • Facebook
  • Tech News
  • Freelancing
Menu
etin-registration-guide-bangladesh-2026

৫ মিনিটে ঘরে বসে ই-টিন (E-TIN) খোলার নিয়ম ও সুবিধা ২০২৬

Posted on February 7, 2026

Toggle
  • ই-টিন (E-TIN) কী এবং কেন প্রয়োজন?
    • টিন করলে কি ট্যাক্স দিতে হয়? (সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা)
    • কেন টিন সার্টিফিকেট থাকা জরুরি? (Benefits)
  • ই-টিন করতে কী কী কাগজপত্র লাগবে? (Documents Required)
  • ই-টিন রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম (ধাপে ধাপে)
    • ধাপ ১: এনবিআর ওয়েবসাইটে প্রবেশ
    • ধাপ ২: একাউন্ট তৈরি (Sign Up)
    • ধাপ ৩: লগইন এবং আবেদন (Login)
    • ধাপ ৪: করদাতার ধরন নির্বাচন (Taxpayer Status)
    • ধাপ ৫: ব্যক্তিগত তথ্য পূরণ (Basic Information)
    • ধাপ ৬: চূড়ান্ত যাচাই এবং সার্টিফিকেট ডাউনলোড
  • ই-টিন করার সুবিধা ও অসুবিধা (Pros & Cons)
    • সুবিধা (Pros):
    • অসুবিধা বা সতর্কতা (Cons):
  • টিন সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে কী করবেন?
  • সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
      • প্রশ্ন: আমি স্টুডেন্ট, আমার কি টিন করা উচিত?
      • প্রশ্ন: জিরো রিটার্ন দিতে কি টাকা লাগে?
      • প্রশ্ন: ভুল তথ্য দিলে কী হবে?
  • ভয় নয়, সচেতনতা জরুরি

আপনি কি জানেন, বর্তমানে একটি ব্যাংক একাউন্ট খুলতে বা ৫ লক্ষ টাকার সঞ্চয়পত্র কিনতে হলেও টিন সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক? অথবা আপনি কি ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করছেন, কিন্তু বায়ার বা ব্যাংক আপনার কাছে ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (TIN) চাইছে?

অনেকে মনে করেন, টিন সার্টিফিকেট করলেই বুঝি সরকারকে ট্যাক্স দিতে হয় বা পুলিশি ঝামেলায় পড়তে হয়। এই ভয়ের কারণে সাধারণ মানুষ বা নতুন উদ্যোক্তারা টিন করতে চান না। আবার অনেকে ভাবেন, এটি করতে উকিল বা দালালের পেছনে হাজার হাজার টাকা খরচ করতে হবে।

বিশ্বাস করুন, ২০২৬ সালে এসে এই ধারণাগুলো সম্পূর্ণ ভুল। এখন আপনি আপনার স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ দিয়ে মাত্র ৫ মিনিটে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নিজের ই-টিন (E-TIN) সার্টিফিকেট তৈরি করতে পারেন। এর জন্য কোনো উকিলের দরকার নেই।

একজন প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টেন্ট ও ট্যাক্স লয়ার হিসেবে আজকের এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের দেখাব—ই-টিন আসলে কী? কেন এটি করা জরুরি? এবং ঘরে বসে কীভাবে ধাপে ধাপে রেজিস্ট্রেশন করবেন?

চলুন, ট্যাক্সের ভয় দূর করে স্মার্ট নাগরিক হই।

ই-টিন (E-TIN) কী এবং কেন প্রয়োজন?

সহজ ভাষায়, টিন (TIN) মানে হলো Taxpayer Identification Number বা করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর। এটি ১২ ডিজিটের একটি অনন্য সংখ্যা, যা এনবিআর (NBR) বা জাতীয় রাজস্ব বোর্ড প্রদান করে। আগে এটি কাগজের ফর্মে হতো, এখন অনলাইনে হয় বলে একে ই-টিন (E-TIN) বলা হয়।

টিন করলে কি ট্যাক্স দিতে হয়? (সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা)

না, টিন সার্টিফিকেট থাকা মানেই ট্যাক্স দেওয়া নয়।

  • আপনার বাৎসরিক আয় যদি ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার নিচে হয় (পুরুষদের ক্ষেত্রে) বা ৪ লক্ষ টাকার নিচে হয় (মহিলাদের ক্ষেত্রে), তবে আপনাকে এক টাকাও ট্যাক্স দিতে হবে না। আপনি শুধু বছর শেষে জিরো রিটার্ন (Zero Return) জমা দেবেন।

কেন টিন সার্টিফিকেট থাকা জরুরি? (Benefits)

বর্তমানে নিচের কাজগুলোর জন্য ই-টিন বাধ্যতামূলক:

১. সঞ্চয়পত্র ক্রয়: ৫ লক্ষ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র বা পোস্ট অফিস সেভিংস কিনতে।

২. ক্রেডিট কার্ড: যেকোনো ব্যাংক থেকে ক্রেডিট কার্ড নিতে।

৩. গাড়ি বা জমি রেজিস্ট্রেশন: সিটি কর্পোরেশন এলাকায় জমি বা ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি করতে।

৪. ট্রেড লাইসেন্স: ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স করতে বা রিনিউ করতে।

৫. ফ্রিল্যান্সিং: বিদেশ থেকে আসা রেমিট্যান্সের ওপর ইনসেনটিভ বা বোনাস পেতে।

৬. বিদেশ ভ্রমণ: অনেক সময় ভিসার আবেদনের জন্য টিন সার্টিফিকেট বা রিটার্ন স্লিপ দেখাতে হয়।

ই-টিন করতে কী কী কাগজপত্র লাগবে? (Documents Required)

রেজিস্ট্রেশন শুরু করার আগে নিচের তথ্যগুলো হাতের কাছে রাখুন:

১. জাতীয় পরিচয়পত্র (NID): আপনার এনআইডি নম্বর এবং জন্ম তারিখ। (স্মার্ট কার্ড বা লেমিনেটেড কার্ড যেকোনোটি দিয়েই হবে)।

২. মোবাইল নম্বর: যে নম্বরটি আপনার নিজের নামে রেজিস্ট্রেশন করা (বায়োমেট্রিক)। কারণ এতে ওটিপি (OTP) যাবে।

৩. বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা: এনআইডি কার্ডের পেছনে লেখা ঠিকানা অনুযায়ী।

৪. ইমেইল এড্রেস (Optional): থাকলে ভালো, না থাকলেও সমস্যা নেই।

ই-টিন রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম (ধাপে ধাপে)

এখন আমি একদম সহজভাবে পুরো প্রক্রিয়াটি বর্ণনা করছি। আপনি চাইলে মোবাইল বা কম্পিউটার যেকোনোটি ব্যবহার করতে পারেন।

ধাপ ১: এনবিআর ওয়েবসাইটে প্রবেশ

প্রথমে আপনার ব্রাউজার ওপেন করে সার্চ বারে লিখুন: incometax.gov.bd অথবা সরাসরি এনবিআর-এর ই-টিন পোর্টালে যান।

  • ওয়েবসাইটের হোমপেজে “Register” বাটনে ক্লিক করুন।

ধাপ ২: একাউন্ট তৈরি (Sign Up)

একটি ফর্ম আসবে যেখানে নিচের তথ্যগুলো দিতে হবে:

  • User ID: নিজের নাম বা পছন্দের কোনো শব্দ দিন (যেমন: saiful2026)। এটি মনে রাখবেন, কারণ লগইন করতে লাগবে।
  • Password: একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দিন (কমপক্ষে ৪ সংখ্যার)। যেমন: Aa1234।
  • Retype Password: পাসওয়ার্ডটি আবার লিখুন।
  • Mobile Number: আপনার সচল মোবাইল নম্বরটি দিন।
  • Captcha: ছবিতে দেখানো অক্ষরগুলো হুবহু টাইপ করুন। সব ঠিক থাকলে “Register” বাটনে ক্লিক করুন। আপনার মোবাইলে একটি কোড (Activation Code) যাবে। সেটি বসিয়ে একাউন্ট অ্যাক্টিভ করুন।

ধাপ ৩: লগইন এবং আবেদন (Login)

রেজিস্ট্রেশন শেষ হলে “Login” বাটনে ক্লিক করে আপনার ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশ করুন।

  • ড্যাশবোর্ড থেকে “Click here to file a new Registration/Re-registration” অপশনে ক্লিক করুন।

ধাপ ৪: করদাতার ধরন নির্বাচন (Taxpayer Status)

এখানে আপনাকে কিছু বেসিক প্রশ্ন করা হবে। খুব সাবধানে উত্তর দিন:

  • Taxpayer Status: Individual (বাংলাদেশি নাগরিক হলে)।
  • Registration Type: New Registration.
  • Main Source of Income: আপনার পেশা অনুযায়ী দিন (Service, Business, Profession অথবা Others)।
    • টিপস: আপনি যদি স্টুডেন্ট বা বেকার হন, তবে Others সিলেক্ট করুন।
  • Location: আপনার জেলা বা থানার নাম সিলেক্ট করুন। (যেমন: Dhaka, North/South)।

ধাপ ৫: ব্যক্তিগত তথ্য পূরণ (Basic Information)

এই ধাপটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এখানে আপনার এনআইডি অনুযায়ী তথ্য দিতে হবে:

  • Name of the Assessee: এনআইডিতে যেমন বানান আছে, ঠিক তেমন ইংরেজিতে লিখুন।
  • Gender: Male/Female.
  • NID Number: জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর। (স্মার্ট কার্ড হলে ১০ ডিজিট, পুরনো হলে ১৩ বা ১৭ ডিজিট)।
  • Date of Birth: জন্ম তারিখ (DD/MM/YYYY ফরম্যাটে)।
  • Father’s Name: বাবার নাম।
  • Mother’s Name: মায়ের নাম।
  • Address: বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা সঠিকভাবে লিখুন। পোস্ট কোড ভুল করবেন না।

সব তথ্য পূরণ হলে “Go to Next” এ ক্লিক করুন।

ধাপ ৬: চূড়ান্ত যাচাই এবং সার্টিফিকেট ডাউনলোড

আপনার দেওয়া সব তথ্য এনআইডি সার্ভারের সাথে অটোমেটিক যাচাই হবে। যদি সব ঠিক থাকে, তবে আপনার ছবিসহ একটি প্রিভিউ দেখাবে।

  • নিচে থাকা চেকবক্সে টিক দিয়ে “Submit Application” বাটনে ক্লিক করুন।
  • অভিনন্দন! আপনার ই-টিন তৈরি হয়ে গেছে।
  • এবার “View Certificate” বাটনে ক্লিক করে পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিন। এটিই আপনার আসল সার্টিফিকেট।
etin-registration-guide-bangladesh-2026

ই-টিন করার সুবিধা ও অসুবিধা (Pros & Cons)

সবকিছুরই ভালো-মন্দ দিক আছে। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আপনার এগুলো জানা উচিত।

সুবিধা (Pros):

১. বৈধ নাগরিক: আপনি রাষ্ট্রের একজন গর্বিত করদাতা হিসেবে গণ্য হবেন।

২. লোন প্রাপ্তি: ব্যাংক থেকে লোন বা ক্রেডিট কার্ড পেতে সুবিধা হয়।

৩. আইনি সুরক্ষা: ব্যবসায়িক বা জমি সংক্রান্ত জটিলতায় এটি আপনাকে আইনি সহায়তা দেয়।

৪. ফ্রিল্যান্সিং: আপওয়ার্ক বা ফাইবার থেকে ডলার আনার সময় ব্যাংক অনেক সময় ইনসেনটিভের জন্য টিন চায়।

অসুবিধা বা সতর্কতা (Cons):

১. রিটার্ন দাখিল: একবার টিন সার্টিফিকেট করলে প্রতি বছর আয়কর রিটার্ন (Tax Return) জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। এমনকি আয় না থাকলেও জিরো রিটার্ন দিতে হয়।

২. জরিমানা: পরপর ৩ বছর রিটার্ন জমা না দিলে সরকার আপনার ব্যাংক একাউন্ট ফ্রিজ করতে পারে বা জরিমানা করতে পারে।

  • আমার পরামর্শ: যদি আপনার সত্যিই টিন দরকার না হয় (যেমন: জমি কেনা বা ক্রেডিট কার্ড ছাড়া), তবে শখের বশে টিন না করাই ভালো। আর করলে অবশ্যই প্রতি বছর নভেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দেবেন।

টিন সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে কী করবেন?

অনেকে পাসওয়ার্ড ভুলে যান বা সার্টিফিকেট হারিয়ে ফেলেন। চিন্তার কিছু নেই।

১. এনবিআর ওয়েবসাইটের “Forgot Password” অপশনে যান।

২. ইউজার আইডি মনে না থাকলে “Forgot User ID” তে ক্লিক করুন।

৩. আপনার মোবাইল নম্বর এবং এনআইডি নম্বর দিলে তারা আবার ওটিপি পাঠাবে এবং আপনি পাসওয়ার্ড রিসেট করতে পারবেন।

৪. লগইন করে যেকোনো সময় সার্টিফিকেটটি রি-প্রিন্ট বা ডাউনলোড করা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

প্রশ্ন: আমি স্টুডেন্ট, আমার কি টিন করা উচিত?

উত্তর: যদি আপনার সঞ্চয়পত্র কেনা বা ক্রেডিট কার্ড নেওয়ার প্রয়োজন না থাকে, তবে না করাই ভালো। কারণ টিন করলেই রিটার্ন দেওয়ার ঝামেলা নিতে হয়।

প্রশ্ন: জিরো রিটার্ন দিতে কি টাকা লাগে?

উত্তর: না। আপনার আয় করযোগ্য সীমার নিচে হলে আপনি নিজেই অনলাইনে জিরো রিটার্ন জমা দিতে পারেন, এতে কোনো টাকা বা উকিল লাগে না।

প্রশ্ন: ভুল তথ্য দিলে কী হবে?

উত্তর: এনআইডি সার্ভারের সাথে মিল না থাকলে টিন হবে না। তাই সঠিক তথ্য দিন।

ভয় নয়, সচেতনতা জরুরি

প্রিয় পাঠক, ই-টিন বা আয়কর কোনো ভয়ের বিষয় নয়। এটি দেশের উন্নয়নের অংশীদার হওয়ার একটি মাধ্যম।

আপনার যদি বাৎসরিক আয় করযোগ্য সীমার (৩.৫ লক্ষ টাকা) নিচে থাকে, তবে নির্ভয়ে জিরো রিটার্ন জমা দিন। এতে আপনার কোনো খরচ নেই, বরং আপনার আর্থিক স্বচ্ছতা প্রমাণ হয়।

আজকের এই গাইডলাইনটি অনুসরণ করে আপনি নিজেই নিজের টিন সার্টিফিকেট তৈরি করতে পারবেন। দালালের কাছে গিয়ে ৫০০-১০০০ টাকা খরচ করার কোনো প্রয়োজন নেই।

ট্যাক্স, ভ্যাট বা ই-টিন নিয়ে আপনার যদি আরও কোনো আইনি প্রশ্ন থাকে, তবে নিচে কমেন্ট বক্সে জানাতে ভুলবেন না। আমি (সাইফুল ইসলাম) একজন প্রফেশনাল হিসেবে আপনাদের সঠিক পরামর্শ দেওয়ার চেষ্টা করব।

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Popular Post

About US

Nextflisonline.com প্রযুক্তি নিয়ে জানুন এবং নতুন কিছু শিখুন। Nextflisonline.com মূলত একটি টেক-ব্লগ যেখানে আমরা নিত্যনতুন প্রযুক্তি, গ্যাজেট এবং ডিজিটাল দুনিয়ার বিভিন্ন খুঁটিনাটি নিয়ে আর্টিকেল প্রকাশ করি। টেক-প্রেমীদের একটি কমিউনিটি গড়ে তোলাই আমাদের উদ্দেশ্য।

  • Facebook
  • YouTube
  • Pinterest
  • About US
  • Privacy Policy
  • Terms & Conditions
  • Contact Us
Copyright © 2026 NextFlisonline.com | All Rights Reserved